Development Worker

test

All Posts

Post Top Ad

Your Ad Spot

বুধবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৮

বাংলাদেশের গ্রাম আদালত



গ্রাম আদালত কিhttps://bijoy84.blogspot.com/

গ্রাম আদালত কি ?


গ্রাম আদালত আইন 2006 অনুযায়ী ছোট্ট-খাটো ফৌজদারী ও দেওয়ানী বিরোধ স্থায়ী ভাবে মিমাংসার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গঠিত আদালতই গ্রাম আদালত ।

গ্রাম আদালত কি কি ধরণের বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে ?
চুরি, ঝগড়া বিবাদ, কলহ বা মারামারি, দাঙ্গা, প্রতারণা, ভয়ভীতি দেখানো বা হুমকি দেয়া, কোন নারীর শালীনতাকে অমর্যাদা বা অপমানের উদ্দেশ্যে কথা বলা অঙ্গভঙ্গি কারা বা কোন কাজ করা , গচ্ছিত কোন মূল্যবান সম্পত্তি আত্নসাr করা, পাওনা টাকা আদায় সংক্রান্ত,স্হাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত, অস্হাবর সম্পত্তির উদ্ধার বা তার মূল্য আদায় সংক্রান্ত , কোন অস্থাবর সম্পত্তির জবর দখল বা ক্ষতি করার জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় সংক্রান্ত, গবাদি পশুর অনধিকার প্রবেশের কারণে ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত, গবাদি পশু মেরে ফেলা বা গবাদিপশুর ক্ষতি সংক্রান্ত। । 

গ্রাম আদালত কি কি ধরণের বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে না ?
ধর্ষণ, খুন, অপহরণ, ডাকাতি, বহুবিবাহ, তালাক, ভরণ পোষণ, অভিভাবকত্ব, দেনমোহর, দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার , যৌতুক, নারী ও শিশু নির্যাতন, কোন ঘটনায় রক্তপাত ঘটে থাকলে, স্থাবর সম্পত্তির স্বত্তাধিকার সংক্রান্ত, 75,000 টাকার অধিক মূল্যমানের কোন বিরোধ ।

গ্রাম আদালতে আবেদন পত্র দাখিলের প্রক্রিয়াঃ
 § আবেদনকারীকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করে যথাযথ ভাবে পুরণ করতে হবে । 

§  আবেদন পত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর দাখিল করতে হবে। 
§  আবেদন পত্র দাখিলের সময় ফৌজদারী মামলার জন্য 10 টাকা এবং দেওয়ানী মামলার জন্য 20 টাকা ফিস দিতে হবে এবং রসিদ সংগ্রহ করতে হবে ।
§  ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে বিরোধ সংগঠিত হওয়ার 30 দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ণ পরিষদে আবেদন করতে পারবে ।
§ দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে মামলার বিরোধ সৃষ্টি হওয়ার 60 দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করতে হবে; তবে স্হাবর সম্পত্তি বেদখল হওয়ার দিন থেকে 1 বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করা যাবে । 


গ্রাম আদালত কোন কোন ক্ষেত্রে কত টাকা পর্যান্ত জরিমনা করতে পারে ?
§  মিথ্যা মামলা দায়ের করলে : গ্রাম আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের কারা হলে মিথ্যা মামলা দায়েরকরীকে সর্বোচ্চ 5,000 টাকা পর্যান্ত জরিমনা করতে পারবে।
§  সাক্ষী কর্তিক সমন অমান্য করলে : গ্রাম আদালত কর্তিক জারীকৃত সমন সাক্ষী ইচ্ছা করে অমান্য করলে, গ্রাম আদালত ঐ সমন অমান্যকারী সাক্ষীকে 1000 টাকা পর্যান্ত জরিমনা করতে পারবে।
§  গ্রাম আদালত অবমাননা করলে : কোন ব্যাক্তি যদি গ্রাম আদালত অবমাননা করে তাহলে গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ 1000 টাকা পর্যান্ত জরিমনা করতে পারবে। নিম্নোক্ত বিষয়গুলো গ্রাম আদালত অবমানোনার সামিল:
§  গ্রাম আদালত সম্পর্কে অশালীন কথা বলা বাহুমকি দেওয়া ।
§  গ্রাম আদালতের কায©ক্রমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করা ।
§  গ্রাম আদালতের আদেশ শর্তেও কোন দলিল দাখিল বা অপ©ণ বা হস্তান্তর করতে ব্যথ© হওয়া।
§  আদালতের কাছে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বিকার করা ।
সার্বিক ভাবে গ্রাম আদালত হলো অল্প খরচে, স্বল্প সময়ে এবং অতি সহজে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ বা বিবাদ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা যা দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ( নারী, প্রতিবন্ধী, দলিত সম্প্রদায়, ইত্যাদি) ন্যায্য বিচার লাভে সহায়তা করে। গ্রাম আদালতে আবেদন দাখিলে অফিস ফিস ছাড়া আর কোন খরচ নেই ।


                                                                                                                              

কোন মন্তব্য নেই:

Post Top Ad

Your Ad Spot

Pages